ক্যাটাগরি সমূহ
সালাত
কুরআনের শেষ তিন সূরা
5
কুরআনের শেষ তিন সূরা
অংশ #1
প্রত্যেক সালাতের পর একবার সূরা ইখলাস,
﷽
قُلْ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۚ﴿١﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۚ﴿٢﴾ لَمْ يَلِدْ ۙوَلَمْ يُوْلَدْ ۙ﴿٣﴾ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿٤﴾
উচ্চারণ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
বাংলা অনুবাদ
রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।
শব্দার্থ (Word by Word)
﷽
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلْ
বলুন
هُوَ
তিনি
اللّٰهُ
আল্লাহ
اَحَدٌ
এক, অদ্বিতীয়
ۚ﴿١﴾
(১)
اَللّٰهُ
আল্লাহ
الصَّمَدُ
অমুখাপেক্ষী, অভাবমুক্ত
ۚ﴿٢﴾
(২)
لَمْ
নি
يَلِدْ
তিনি কাউকে জন্ম দেন
ۙوَلَمْ
এবং নি
يُوْلَدْ
কেউ তাঁকে জন্ম দেয়
ۙ﴿٣﴾
(৩)
وَلَمْ
এবং নাই
يَكُنْ
(হয়)
لَّهٗ
তাঁর
كُفُوًا
সমতূল্য/সমকক্ষ
اَحَدٌ
কেউ
﴿٤﴾
(৪)
অংশ #2
সূরা আল-ফালাক
﷽
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِۙ ﴿١﴾ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَۙ ﴿٢﴾ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَۙ ﴿٣﴾ وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الْعُقَدِۙ ﴿٤﴾ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
উচ্চারণ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ
বাংলা অনুবাদ
রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।
শব্দার্থ (Word by Word)
﷽
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلْ
বলুুন
اَعُوْذُ
আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই
بِرَبِّ
পালনকর্তার
الْفَلَقِۙ
ভোর/প্রভাতের
﴿١﴾
(১)
مِنْ
থেকে
شَرِّ
অনিষ্ট
مَا
যা
خَلَقَۙ
তিনি সৃষ্টি করেছেন
﴿٢﴾
(২)
وَمِنْ
এবং হতে
شَرِّ
অনিষ্ট
غَاسِقٍ
অন্ধকার রাত্রির
اِذَا
যখন
وَقَبَۙ
আচ্ছন্ন হয়
﴿٣﴾
(৩)
وَمِنْ
এবং থেকে
شَرِّ
অনিষ্ট
النَّفّٰثٰتِ
ফুঁৎকার প্রদানকারীর
فِى
মধ্যে
الْعُقَدِۙ
গ্রন্থি/গীরা
﴿٤﴾
(৪)
وَمِنْ
এবং থেকে
شَرِّ
অনিষ্ট
حَاسِدٍ
হিংসুকের
اِذَا
যখন
حَسَدَ
সে হিংসা করে
﴿٥﴾
(৫)
অংশ #3
ও সূরা আন-নাস,
﷽
قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ النَّاسِۙ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِۙ ﴿٢﴾ اِلٰهِ النَّاسِۙ ﴿٣﴾ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ ۙ الْخَـنَّاسِ ۙ﴿٤﴾ الَّذِىْ يُوَسْوِسُ فِىْ صُدُوْرِ النَّاسِۙ ﴿٥﴾ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾
উচ্চারণ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।
বাংলা অনুবাদ
রহমান, রহীম আল্লাহর নামে। বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।
শব্দার্থ (Word by Word)
﷽
পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلْ
বলুন
اَعُوْذُ
আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই
بِرَبِّ
পালনকর্তার
النَّاسِۙ
মানুষের
﴿١﴾
(১)
مَلِكِ
মালিক/বাদশাহ/অধিপতি
النَّاسِۙ
মানুষের
﴿٢﴾
(২)
اِلٰهِ
উপাস্য/মা'বুদের
النَّاسِۙ
মানুষের
﴿٣﴾
(৩)
مِنْ
থেকে
شَرِّ
অনিষ্ট
الْوَسْوَاسِ ۙ
কুপরামর্শর/কুমন্ত্রণার
الْخَـنَّاسِ
আত্নগোপনকারী
ۙ﴿٤﴾
(৪)
الَّذِىْ
যে
يُوَسْوِسُ
কুপরামর্শ/কুমন্ত্রণা দেয়
فِىْ
মধ্যে
صُدُوْرِ
অন্তরের
النَّاسِۙ
মানুষের
﴿٥﴾
(৫)
مِنَ
মধ্য থেকে
الْجِنَّةِ
জ্বিনের
وَالنَّاسِ
এবং মানুষের
﴿٦﴾
(৬)
আবু দাঊদ ২/৮৬, নং ১৫২৩; তিরমিযী, নং ২৯০৩; নাসাঈ ৩/৬৮, নং ১৩৩৫। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ২/৮। আর উপর্যুক্ত তিনটি সূরাকে ‘আল-মু‘আওয়াযাত’ বলা হয়। দেখুন, ফাতহুল বারী, ৯/৬২