ক্যাটাগরি সমূহ
সালাত
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ
10
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১০
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ بِاَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيْعَ السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْاِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ الْجَنَّةَ وَاَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকাল মান্না-নু, ইয়া বাদী‘আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকাল্ জান্নাতা ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান্না-র
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।
শব্দার্থ (Word by Word)
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ
اِنِّيْۤ
নিশ্চয় আমি
اَسْاَلُكَ
আপনার নিকট চাই
بِاَنَّ
যেহেতু
لَكَ
আপনার জন্য
الْحَمْدَ
সকল প্রশংসা
لَاۤ
নেই ( কোনো )
اِلٰهَ
ইলাহ
اِلَّاۤ
ব্যতীত
اَنْتَ
আপনি
وَحْدَكَ
এবং আপনি এক
لَا
নাই
شَرِيْكَ
অংশীদার
لَكَ،
আপনার জন্য
الْمَنَّانُ،
সীমাহীন অনুগ্রহকারী
يَا
হে
بَدِيْعَ
স্রষ্টা
السَّمَاوَاتِ
আসমানসমূহ
وَالْاَرْضِ
ও যমীনের
يَا
হে
ذَا
অধিকারী
الْجَلَالِ
মহিমাময়
وَالْاِكْرَامِ،
ও মহানুভব
يَا
হে
حَيُّ
চিরঞ্জীব
يَا
হে
قَيُّوْمُ
চিরস্থায়ী
اِنِّيْۤ
নিশ্চয় আমি
اَسْاَلُكَ
আপনার নিকট চাই
الْجَنَّةَ
জান্নাত
وَاَعُوْذُ
ও আমি আশ্রয় চাই
بِكَ
আপনার কাছে
مِنَ
থেকে
النَّارِ
জাহান্নাম
আনাস (রা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (স) এর সাথে বৃত্তাকারে বসে ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি সালাত আদায় করছিল। সে সালাতের তাশাহহুদের পরে দু‘আর মধ্যে উপরের কথাগুলো বলল। তখন রাসূলুল্লাহ (স) বলেন:
“নিশ্চয় সে আল্লাহ্র কাছে তাঁর ইসমে আ’যম ধরে দু‘আ করেছে, যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নামে চাইলে তিনি প্রদান করেন।” হাদীসটির সনদ সহীহ।
“নিশ্চয় সে আল্লাহ্র কাছে তাঁর ইসমে আ’যম ধরে দু‘আ করেছে, যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নামে চাইলে তিনি প্রদান করেন।” হাদীসটির সনদ সহীহ।
হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।
11
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১১
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ بِاَنِّيْۤ اَشْهَدُ اَنَّكَ اَنْتَ اللّٰهُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ الْاَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্নী আশ্হাদু আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতাল আহাদুস সামাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইয়ূলাদ ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই। কেননা, আমি সাক্ষ্য দেই যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই; আপনি একক সত্তা, অমুখাপেক্ষী—সকল কিছু আপনার মুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং জন্ম নেনও নি। আর যাঁর সমকক্ষ কেউ নেই
শব্দার্থ (Word by Word)
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ
اِنِّيْۤ
নিশ্চয় আমি
اَسْاَلُكَ
আপনার নিকট চাই
بِاَنِّيْۤ
যেহেতু
اَشْهَدُ
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি
اَنَّكَ
নিশ্চয়
اَنْتَ
আপনি
اللّٰهُ
আল্লাহ
لَاۤ
নাই (কোনো)
اِلٰهَ
মাবুদ/ইলাহ
اِلَّاۤ
ছাড়া
اَنْتَ
আপনি
الْاَحَدُ
এক/অদ্বিতীয়
الصَّمَدُ
অমুখাপেক্ষী
الَّذِيْ
যিনি
لَمْ
নাই
يَلِدْ
জন্ম দেন
وَلَمْ
এবং নাই
يُوْلَدْ
জন্ম নেন
وَلَمْ
এবং নেই
يَكُنْ
(হয়)
لَّهٗ
তার
كُفُوًا
সমতুল্য/সমকক্ষ
اَحَدٌ
কেউ
বুরাইদাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) দেখেন যে, এক ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় দু‘আয় উপরের কথাগুলো বলছে। তখন তিনি বলেন : “যার হাতে আমার জীবন তাঁর শপথ, নিশ্চয় এ ব্যক্তি আল্লাহ্র কাছে তাঁর ইসমু আ’যম ধরে প্রার্থনা করেছে, যে নাম ধরে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম ধরে চাইলে তিনি প্রদান করেন।” হাদীসটি সহীহ।
আবূ দাউদ ২/৬২, নং ১৪৯৩; তিরমিযী ৫/৫১৫, নং ৩৪৭৫; ইবন মাজাহ, ২/১২৬৭, নং ৩৮৫৭; নাসাঈ, নং ১৩০০, আর শব্দ তাঁরই; আহমাদ নং ১৮৯৭৪ আর শাইখ আলবানী সহীহ নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন। তাছাড়া আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ২/৩২৯; সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৬৩
12
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১২
اَللّٰهُمَّ اَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِنَا وَاَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ وَنَجِّنَا مِنْ الظُّلُمَاتِ اِلَى النُّوْرِ وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَبَارِكْ لَنَا فِيْۤ اَسْمَاعِنَا وَاَبْصَارِنَا وَقُلُوْبِنَا وَاَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا وَتُبْ عَلَيْنَا اِنَّكَ اَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ وَاجْعَلْنَا شَاكِرِيْنَ لِنِعْمَتِكَ مُثْنِيْنَ بِهَا قَابِلِيْهَا وَاَتِمَّهَا
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা, আল্লিফ বাইনা কুলুবিনা-, ওয়া আসলি‘হ যা-তা বাইনিনা-, ওয়াহ্দিনা- সুবুলাস সালা-ম, ওয়া নাজ্জিনা- মিনায যুলুমা-তি ইলান নূর। ওয়া জান্নিবনাল ফাওয়া-‘িহশা মা যাহারা মিনহা- ওয়া মা- বাতান। ওয়া বা-রিক লানা- ফী আসমা-‘ইনা-, ওয়া আবসা-রিনা-, ওয়া কুলুবিনা-, ওয়া আযওয়া-জিনা, ওয়া যুররিয়্যা-তিনা-। ওয়া তুব ‘আলাইনা-, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। ওয়াজ্ ‘আলনা- শা-কিরীনা লিনি’মাতিকা, মুসনীনা বিহা- কাবিলীহা, ওয়া আতমিমহা- ‘আলাইনা-।
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অন্তরের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিন। আপনি আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য প্রদান করুন। আপনি আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত করুন, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করে আলোয় নিয়ে আসুন, আমাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন। আপনি আমাদের শ্রবণযন্ত্রে, আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে, আমাদের অন্তরে, আমাদের দাম্পত্য সঙ্গীগণের মধ্যে এবং আমাদের সন্তানগণের মধ্যে বরকত প্রদান করুন। আপনি আমাদের তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি তওবা কবুলকারী পরম করুণাময়। আপনি আমাদেরকে আপনার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের, নিয়ামতের জন্য আপনার প্রশংসা করার এবং নিয়ামতকে সসম্মানে গ্রহণ করার তাওফীক প্রদান করুন এবং আপনি আমাদের জন্য প্রদত্ত আপনার নিয়ামতকে পূর্ণ করুন।
আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাদেরকে তাশাহহুদের পরে দু‘আর এ বাক্যগুলো শেখাতেন। হাদীসটির সনদ সহীহ।
[১]আবু দাঊদ (কিতাবুস সালাত,বাবুত তাশাহহুদ) ১/২৫২, নং ৯৬৯ (ভা ১/১৩৯) মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৯৭, মাওয়ারিদুয যামআন ৮/৭৪,জামিউল উসূল ৪/২০৫-২০৬; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬৬
13
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১৩
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهٖ عَاجِلِهٖ وَاٰجِلِهٖ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ اَعْلَمْ وَاَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهٖ عَاجِلِهٖ وَاٰجِلِهٖ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ اَعْلَمْ، اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَاَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌ ﷺ) وَاَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهٖ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌ ﷺ)، اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ اِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ اَوْ عَمَلٍ وَاَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ اِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ اَوْ عَمَلٍ وَاَسْاَلُكَ مَا قَضَيْتَ لِيْ مِنْ اَمْرٍ اَنْ تَجْعَلَ عَاقِبَتَهُ رَشَدًا
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহী, ‘আ-জিলিহী ওয়া আজিলিহী, মা- ‘আলিম্তু মিন্হু ওয়ামা- লাম্ আ‘অ্লাম। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাশ্ র্শারি কুল্লিহী মা- ‘আলিম্তু মিন্হু ওয়ামা- লাম্ আ‘অ্লাম।। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা মিন খাইরি মা- সাআলাকা ‘আব্দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা (মুহাম্মাদুন ), ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন র্শারি মা ‘আ-যা বিহী ‘আব্দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা (মুহাম্মাদুন )। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকাল জান্নাতা ওয়ামা- র্ক্বারাবা ইলাইহা- মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান না-রি ওয়ামা- র্ক্বারাবা ইলাইহা মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আস্আলুকা মা- ক্বাদ্বাইতা লী মিন আম্রিন আন তাজ্‘আলা ‘আ-ক্বিবাতাহু রাশাদান।
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি যে, আপনি আমার জন্য যা কিছু ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন সব কিছুর চূড়ান্ত পরিণতি আমার জন্য মঙ্গলময় কল্যাণকর করে দিন।
আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) তাঁকে এ দু‘আটি শিক্ষা দেন। অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন, তিনি সালাতে রত ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তুমি পূর্ণ বাক্যাবলি ব্যবহার করবে। সালাতের পরে তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তাকে এ দুআটি শিখিয়ে দেন। অন্য হাদীসে ইবনু মাসঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) তাশাহ্হুদের পরে পাঠের জন্য এ প্রকারের দু‘আ শিক্ষা দেন।
[১]ইবনু মাজাহ ২/১২৬৪ (ভা ১/২৭৩); সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১৫০; মুসতাদরাক হাকিম ১/৭০২;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৪২-১৪৩,২৩২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৭১
হাদিসটির সব বর্ণনাই সহীহ।
3
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৩
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيْرًا، وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ اِلَّاۤ اَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ، اِنَّكَ اَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা ইন্নী যলামতু নাফসী যুলমান কাসীরা। ওয়ালা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা। ফাগফির লী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রাহীম
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক যুলুম করেছি। আর আপনি ছাড়া গুনাহসমূহ কেউই ক্ষমা করতে পারে না। অতএব আমাকে আপনার পক্ষ থেকে বিশেষ ক্ষমা দ্বারা মাফ করে দিন, আর আমার প্রতি দয়া করুন; আপনিই তো ক্ষমাকারী, পরম দয়ালু
শব্দার্থ (Word by Word)
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ!
اِنِّيْ
আমি নিশ্চয়
ظَلَمْتُ
যুলুম করেছি
نَفْسِيْ
আমার নিজের উপর
ظُلْمًا
যুলুম
كَثِيْرًا،
অনেক
وَلَا
আর না
يَغْفِرُ
ক্ষমা করবে
الذُّنُوْبَ
পাপরাশি
اِلَّاۤ
ছাড়া
اَنْتَ،
আপনি
فَاغْفِرْ
ক্ষমা করুন
لِيْ
আমাকে
مَغْفِرَةً
ক্ষমা করুন
مِّنْ
থেকে
عِنْدِكَ
আপনার পক্ষ
وَارْحَمْنِيْ،
এবং আমার প্রতি দয়া করুন
اِنَّكَ
নিশ্চয়
اَنْتَ
আপনি
الْغَفُوْرُ
ক্ষমাকারী
الرَّحِيْمُ
পরম দয়ালু
বুখারী ৮/১৬৮, নং ৮৩৪; মুসলিম ৪/২০৭৮, নং ২৭০৫।
4
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৪
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا قَدَّمْتُ، وَمَاۤ اَخَّرْتُ، وَمَاۤ اَسْرَرْتُ، وَمَاۤ اَعْلَنْتُ، وَمَاۤ اَسْرَفْتُ، وَمَاۤ اَنْتَ اَعْلَمُ بِهٖ مِنِّيْ، اَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَاَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّاۤ اَنْتَ
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়া মা আখ্খারতু ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লান্তু ওয়া মা আসরাফ্তু ওয়া মা আনতা আল’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু লা ইলাহা ইল্লা আনতা
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপন করেছি, যা প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমালঙ্ঘন করে করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।
শব্দার্থ (Word by Word)
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ!
اغْفِرْ
ক্ষমা করুন
لِيْ
আমাকে
مَا
যা
قَدَّمْتُ،
পূর্বে করেছি
وَمَاۤ
এবং যা
اَخَّرْتُ،
পরে করেছি
وَمَاۤ
এবং যা
اَسْرَرْتُ،
গোপনে করেছি
وَمَاۤ
এবং যা
اَعْلَنْتُ،
আমি প্রকাশ্যে করেছি
وَمَاۤ
এবং যা
اَسْرَفْتُ،
সীমালঙ্ঘন করে করেছি
وَمَاۤ
এবং যা
اَنْتَ
আপনি
اَعْلَمُ
ভালো জানেন
بِهٖ
তা সম্বন্ধে
مِنِّيْ،
আমার থেকে
اَنْتَ
আপনি
الْمُقَدِّمُ،
অগ্রগামী করেন
وَاَنْتَ
এবং আপনি
الْمُؤَخِّرُ
পশ্চাদগামী করেন
لَاۤ
নেই ( কোনো )
اِلٰهَ
ইলাহ
اِلَّاۤ
ব্যতীত
اَنْتَ
আপনি
মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১
5
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৫
اَللّٰهُمَّ اَعِنِّيْ عَلٰى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা আ‘ইন্নী ‘আলা যিকরিকা ও শুকরিকা ওয়াহুসনি ইবা-দাতিকা
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ! আপনার যিক্র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন
শব্দার্থ (Word by Word)
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ!
اَعِنِّيْ
আমাকে সাহায্য করুন
عَلٰى
উপর
ذِكْرِكَ،
আপনার স্মরণ করার
وَشُكْرِكَ،
ও আপনাকে শুকরিয়া জানাতে
وَحُسْنِ
এবং সুন্দর/উত্তম ভাবে
عِبَادَتِكَ
আপনার ইবাদত পালন করতে
আবূ দাউদ ২/৮৬, নং ১৫২২; নাসাঈ ৩/৫৩, নং ২৩০২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাঊদ ১/২৮৪ এটাকে সহীহ বলেছেন।
8
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৮
অংশ #1
اَللّٰهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ اَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِّيْ، وَتَوَفَّنِيْ اِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِيْ، اَللّٰهُمَّ اِنِّيْ اَسْاَلُكَ خَشْيَتَكَ فِيْ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা বি‘ইলমিকাল গাইবি ওয়া কুদরাতিকা ‘আলাল খালক্বি আহয়িনী মা আলিম্তাল হায়া-তা খাইরাল্ লী ওয়া তাওয়াফ্ফানী ইযা আলিম্তাল ওয়াফা-তা খাইরাল লী। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাশইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ-শাহাদাতি
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ! আপনার গায়েবী জ্ঞান এবং সকল সৃষ্টির উপর আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার অসিলায় (চাই), আমাকে আপনি জীবিত রাখুন সে-সময় পর্যন্ত, যে সময় পর্যন্ত জীবিত থাকা আপনার জ্ঞানে আমার জন্য কল্যাণকর; আর আমাকে মৃত্যু দিন যখন আপনি জানেন যে, মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট চাই গোপনে ও প্রকাশ্যে আপনাকে ভয় করা
শব্দার্থ (Word by Word)
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ!
بِعِلْمِكَ
আপনার জ্ঞান
الْغَيْبَ
গায়েবী
وَقُدْرَتِكَ
এবং আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার
عَلَى
উপর
الْخَلْقِ
সকল সৃষ্টির
اَحْيِنِيْ
আমাকে জীবিত রাখুন
مَا
যা
عَلِمْتَ
আপনার জ্ঞানে
الْحَيَاةَ
জীবিত থাকা
خَيْرًا
উত্তম
لِّيْ،
আমার জন্য
وَتَوَفَّنِيْ
ও আমাকে মৃত্যু দিন
اِذَا
যা
عَلِمْتَ
আপনার জ্ঞানে
الْوَفَاةَ
মৃত্যু
خَيْرًا
উত্তম
لِيْ،
আমার জন্য
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ!
اِنِّيْ
নিশ্চয় আমি
اَسْاَلُكَ
আমি আপনার নিকট চাই
خَشْيَتَكَ
আপনাকে ভয় করা
فِيْ
এ
الْغَيْبِ
গোপন
وَالشَّهَادَةِ
ও প্রকাশ্যে
অংশ #2
وَاَسْاَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِيْ الرِّضَا وَالْغَضَبِ، وَاَسْاَلُكَ الْقَصْدَ فِيْ الْغِنٰى وَالْفَقْرِ، وَاَسْاَلُكَ نَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ، وَاَسْاَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ، وَاَسْاَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ
উচ্চারণ
ওয়া আসআলুকা কালিমাতাল হাক্বক্বি ফির-রিদা ওয়াল-গাদাবি। ওয়া আসআলুকাল কাসদা ফিল গিনা ওয়াল ফাক্বরি, ওয়া আসআলুকা না‘ঈমান লা ইয়ানফাদু, ওয়া আসআলুকা ক্বুররতা আইনিন লা তানকাতি‘উ, ওয়া আস্আলুকার-রিদা বা‘দাল কাদায়ে,
বাংলা অনুবাদ
আপনার নিকট চাই সন্তুষ্টি ও ক্রোধ উভয় অবস্থায় সত্য কথা বলা; আপনার নিকট চাই দারিদ্র্যে ও প্রাচুর্যে ভারসাম্যপূর্ণ (মধ্যম) পন্থা। আপনার নিকট চাই এমন নে‘আমত, যা কখনো শেষ হবে না; আপনার নিকট চাই এমন নয়নাভিরাম বস্তু, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। আর আমি আপনার নিকট চাই (তাকদীরের) ফয়সালার পর সন্তোষ;
শব্দার্থ (Word by Word)
وَاَسْاَلُكَ
এবং আমি আপনার নিকট চাই
كَلِمَةَ
কথা বলা
الْحَقِّ
সত্য
فِيْ
মধ্যে
الرِّضَا
সন্তুষ্টির
وَالْغَضَبِ،
ও ক্রোধ
وَاَسْاَلُكَ
এবং আমি আপনার নিকট চাই
الْقَصْدَ
মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে
فِيْ
মধ্যে
الْغِنٰى
প্রাচুর্যের
وَالْفَقْرِ،
ও দারিদ্র্যে
وَاَسْاَلُكَ
এবং আমি আপনার নিকট চাই
نَعِيْمًا
নে‘আমত
لَا
না
يَنْفَدُ،
নি:শেষ হবে
وَاَسْاَلُكَ
এবং আমি আপনার নিকট চাই
قُرَّةَ
প্রশান্তি
عَيْنٍ
নয়নের
لَا
না
تَنْقَطِعُ،
কখনো বিচ্ছিন্ন হবে
وَاَسْاَلُكَ
এবং আমি আপনার নিকট চাই
الرِّضَا
সন্তোষ
بَعْدَ
পর
الْقَضَاءِ
(তাকদীরের) ফয়সালার
অংশ #3
وَاَسْـاَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ، وَاَسْاَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ اِلَى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ اِلٰى لِقَائِكَ فِيْ غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ، اَللّٰهُمَّ زَيِّنَا بِزِيْنَةِ الْاِيْمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِيْنَ
উচ্চারণ
ওয়া আসআলুকা বারদাল ‘আইশি বা‘দাল মাওতি, ওয়া আসআলুকা লাযযাতান-নাযারি ইলা ওয়াজহিকা, ওয়াশ-শাওক্বা ইলা লিক্বাইকা, ফী গাইরি দাররাআ মুদিররাতিন ওয়ালা ফিতনাতিম মুদিল্লাহ। আল্লা-হুম্মা যাইইন্না বিযীনাতিল ঈমানি ওয়াজ‘আলনা হুদাতাম মুহতাদীন
বাংলা অনুবাদ
আমি আপনার নিকট চাই মৃত্যুর পর প্রশান্ত জীবন। আমি আপনার নিকট চাই আপনার চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাতের স্বাদ, আপনার নিকট চাই আপনার সাথে সাক্ষাৎ লাভের ব্যাকুলতা; এমন যে, তাতে থাকবে না কোনো ক্ষতিকর কষ্ট কিংবা ভ্রষ্টকারী ফেতনা। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ঈমানের সৌন্দর্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন এবং আমাদেরকে হেদায়াত-প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক বানান
শব্দার্থ (Word by Word)
وَاَسْـاَلُكَ
এবং আমি আপনার নিকট চাই
بَرْدَ
প্রশান্ত/শীতল
الْعَيْشِ
জীবন
بَعْدَ
পর
الْمَوْتِ،
মৃত্যুর
وَاَسْاَلُكَ
এবং আমি আপনার নিকট চাই
لَذَّةَ
স্বাদ
النَّظَرِ
দৃষ্টিপাতের
اِلَى
প্রতি
وَجْهِكَ،
আপনার চেহারার
وَالشَّوْقَ
ও ব্যাকুলতা/আগ্রহ
اِلٰى
প্রতি
لِقَائِكَ
আপনার সাক্ষাৎ লাভের
فِيْ
এর মধ্যে
غَيْرِ
থাকবে না
ضَرَّاءَ
কষ্ট/বিপদ/দুর্দশা
مُضِرَّةٍ،
ক্ষতিকর
وَلَا
এবং না
فِتْنَةٍ
ফেতনা
مُضِلَّةٍ،
ভ্রষ্টকারী
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ!
زَيِّنَا
সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন
بِزِيْنَةِ
সৌন্দর্যে
الْاِيْمَانِ،
ঈমানের
وَاجْعَلْنَا
এবং আমাদেরকে করুন
هُدَاةً
পথপ্রদর্শন/পরিচালনা
مُهْتَدِيْنَ
(যারা) হেদায়াত/সুপথ প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক
নাসাঈ ৩/৫৪, ৫৫, নং ১৩০৪; আহমাদ ৪/৩৬৪, নং ২১৬৬৬। আর শাইখ আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮১ তে একে সহীহ বলেছেন।
9
সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৯
اَللّٰهُمَّ اِنِّيْۤ اَسْاَلُكَ يَا اَللّٰهُ بِاَنَّكَ الْوَاحِدُ الْاَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ، اَنْ تَغْفِرَ لِيْ ذُنُوبِيْۤ اِنَّكَ اَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِّيْمُ
উচ্চারণ
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া আল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-হিদুল আহাদুস্ সমাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইয়ূলাদ ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফূওয়ান আহাদ, আন্ তাগফিরালী যুনূবী, ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রহীম
বাংলা অনুবাদ
হে আল্লাহ! আপনিই একক, অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী; যিনি জন্ম দেন নি, জন্ম নেনও নি; আর যার সমকক্ষ কেউ নেই। তাই হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই, যেন আপনি আমার সকল গুনাহ্ ক্ষমা করে দেন; নিশ্চয় আপনি অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু
শব্দার্থ (Word by Word)
اَللّٰهُمَّ
হে আল্লাহ
اِنِّيْۤ
নিশ্চয় আমি
اَسْاَلُكَ
আপনার নিকট চাই
يَا
হে
اَللّٰهُ
আল্লাহ
بِاَنَّكَ
নিশ্চয় আপনি
الْوَاحِدُ
একক
الْاَحَدُ
এক/অদ্বিতীয়
الصَّمَدُ
অমুখাপেক্ষী
الَّذِيْ
যিনি
لَمْ
নাই
يَلِدْ
জন্ম দেন
وَلَمْ
এবং নাই
يُوْلَدْ،
জন্ম নেন
وَلَمْ
এবং নেই
يَكُنْ
(হয়)
لَّهٗ
তার
كُفُوًا
সমতুল্য/সমকক্ষ
اَحَدٌ،
কেউ
اَنْ
যে
تَغْفِرَ
আপনি ক্ষমা করুন
لِيْ
আমাকে
ذُنُوبِيْۤ
আমার সকল গুনাহ্সমূহ
اِنَّكَ
নিশ্চয়
اَنْتَ
আপনি
الْغَفُوْرُ
অতীব ক্ষমাশীল
الرَّحِّيْمُ
পরম দয়ালু
নাসাঈ ৩/৫২, নং ১৩০০; শব্দ তাঁরই, আহমাদ ৪/৩৩৮, নং ১৮৯৭। আর আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন।