ক্যাটাগরি সমূহ
দোয়া
ব্যাপক অর্থের বিশেষ যিকর
1
ব্যাপক অর্থের বিশেষ যিকর #১
অংশ #1
الْحَمْدُ لِلّٰهِ عَدَدَ مَا اَحْصٰى كِتَابُهٗ
উচ্চারণ
আল-‘হামদু লিল্লা-হি ‘আদাদা মা- আ‘হসা কিতাবুহু
বাংলা অনুবাদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র, তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে সে পরিমাণ,
অংশ #2
وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ مِلْءَ مَا اَحْصٰى كِتَابُهٗ
উচ্চারণ
ওয়া আল-‘হামদু লিল্লা-হি মিলআ মা- আ‘হসা কিতাবুহু
বাংলা অনুবাদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র, তাঁর কিতাব যা গণনা করেছে তা সব পূর্ণ করে,
অংশ #3
وَالْحَمْدُ ِ لِلّٰهِ عَدَدَ مَا اَحْصٰى خَلْقُهٗ
উচ্চারণ
ওয়া আল-‘হামদু লিল্লা-হি ‘আদাদা মা- আ‘হসা খালকুহু,
বাংলা অনুবাদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র, তাঁর সৃষ্টি যা গণনা করে সে পরিমাণ,
অংশ #4
وَالْحَمْدُ ِ لِلّٰهِ مِلْءَ مَا فِيْ خَلْقِهٖ
উচ্চারণ
ওয়া আল-‘হামদু লিল্লা-হি মিলআ মা- ফী খালকিহী,
বাংলা অনুবাদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র, তাঁর সৃষ্টির মধ্যে যাকিছু আছে তা পূর্ণ করে,
অংশ #5
وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ مِلْءَ سَمٰوَاتِهٖ وَاَرْضِهٖ
উচ্চারণ
ওয়া আল-‘হামদু লিল্লা-হি মিলআ সামাওয়া-তিহী ওয়া র্আদিহী,
বাংলা অনুবাদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র, তাঁর আসমন ও জমিন পূর্ণ করে,
অংশ #6
وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ عَدَدَ كُلِّ شَيْءٍ
উচ্চারণ
ওয়া আল-‘হামদু লিল্লা-হি ‘আদাদা কুল্লি শাইয়িন,
বাংলা অনুবাদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র, সকল কিছুর সংখ্যার সমপরিমাণ,
অংশ #7
وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ
উচ্চারণ
ওয়াল-‘হামদু লিল্লা-হি ‘আলা- কুলি¬ শাইয়িন।
বাংলা অনুবাদ
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র, সব কিছুর উপর।
আবু উমামা (রা) বলেন :
“রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে দেখেন যে আমি আমার ঠোঁট নাড়াচ্ছি। তিনি আমাকে বলেন : হে আবু উমামাহ, তুমি কী বলে তোমার ঠোঁট নাড়াচ্ছ ? আমি বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমি আল্লাহ্র যিকর করছি। তিনি বললেন : আমি কি তোমার রাতদিন যিকরের চেয়েও উত্তম (যিকর) তোমাকে শিখিয়ে দেব? আমি বললাম: হাঁ, হে আল্লাহ্র রাসূল। তিন বলেন: তুমি বলবে ...... (উপরের যিকরগুলো তিনি শিখিয়ে দিলেন)। এরপর বললেন:
“উপরে যেভাবে (আলহামদুলিল্লা-হ) বলেছ ঠিক অনুরূপভাবে অনুরূপভাষায় তাসবীহ ‘সুবহা-নাল্লাহ’ বলবে এবং অনুরূপভাবে তাকবীর ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে।” অর্থাৎ, উপরের ৭ টি বাক্যে ‘আলহামদুলিল্লাহ’র- স্থলে ‘সুবহা-নাল্লাহ’ দ্বারা ও ‘আল্লাহু আকবার’ দ্বারা ৭ বার করে বলতে হবে। হাদীসটি হাসান।”
“রাসূলুল্লাহ (স) আমাকে দেখেন যে আমি আমার ঠোঁট নাড়াচ্ছি। তিনি আমাকে বলেন : হে আবু উমামাহ, তুমি কী বলে তোমার ঠোঁট নাড়াচ্ছ ? আমি বললাম: ইয়া রাসূলুল্লাহ, আমি আল্লাহ্র যিকর করছি। তিনি বললেন : আমি কি তোমার রাতদিন যিকরের চেয়েও উত্তম (যিকর) তোমাকে শিখিয়ে দেব? আমি বললাম: হাঁ, হে আল্লাহ্র রাসূল। তিন বলেন: তুমি বলবে ...... (উপরের যিকরগুলো তিনি শিখিয়ে দিলেন)। এরপর বললেন:
“উপরে যেভাবে (আলহামদুলিল্লা-হ) বলেছ ঠিক অনুরূপভাবে অনুরূপভাষায় তাসবীহ ‘সুবহা-নাল্লাহ’ বলবে এবং অনুরূপভাবে তাকবীর ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে।” অর্থাৎ, উপরের ৭ টি বাক্যে ‘আলহামদুলিল্লাহ’র- স্থলে ‘সুবহা-নাল্লাহ’ দ্বারা ও ‘আল্লাহু আকবার’ দ্বারা ৭ বার করে বলতে হবে। হাদীসটি হাসান।”
মুসনাদ আহমাদ ৫/২৪৯, হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/৯৩, মুনযিরী, আত-তারগীব ২/৪২৬-৪২৭; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১১
2
ব্যাপক অর্থের বিশেষ যিকর #২
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ حَمْدًا كَثِيْرًا طَيِّبًا مُّبَارَكًا فِيْهِ
উচ্চারণ
আলহামদুলিল্লা-হি ‘হামদান কাসীরান তাইয়িবান মুবা-রাকান ফীহি।
বাংলা অনুবাদ
“সকল প্রশংসা আলাহর, অনেক অনেক প্রশংসা, পবিত্র ও বরকতময় প্রশংসা”।
কয়েকটি সহীহ হাদীসে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (স) এ কথাগুলোর অত্যন্ত প্রশংসা করেন। [১] এছাড়া একাধিক সহীহ হাদীসে বর্ণিত, বান্দা যখন এ যিকরগুলো বলেন তখন আল্লাহও তার সাথে সাড়া দেন। কাজেই, মনোযোগ ও আদব-সহ আল্লাহ্র সাথে কথা বলার অনুভুতি নিয়ে যিকর করতে হবে। [২]
[১] মুসলিম ১/৪১৯,(ভা ১/২১৯) ইবন মাজাহ, আস-সুনান ২/১২৪৯, নাসাঈ, কুবরা ৬/৯২, মুসনাদ আহমদ ৩/১৫৮, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১২৫, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩৪৫-৩৪৬, মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১০৭
[২] হাইসামী, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩২৪-৩২৬; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১২
3
ব্যাপক অর্থের বিশেষ যিকর #৩
يَا حَيُّ، يَا قَيُّوْمُ
উচ্চারণ
ইয়া ‘হাইয়্যু হয়া ক্বাইয়্যুম।
বাংলা অনুবাদ
হে চিরঞ্জীব হে সর্বসংরক্ষক।
আলী (রা) বলেন:
“বদরের যুদ্ধের দিনে আমি কিছুক্ষণ যুদ্ধ করে রাসূলুল্লাহ (স) কি করছেন তা দেখার জন্য তাড়াহুড়ো করে ফিরে আসলাম। এসে দেখি তিনি সাজাদা রত অবস্থায় রয়েছেন এবং শুধু বলছেন: ‘ইয়া হাইউ ইয়া কাইঊম’ (হে চিরঞ্জীব, হে সর্বসংরক্ষক), এর বেশি কিছুই বলছেন না। এরপর আমি আবার যুদ্ধের মধ্যে ফিরে গেলাম। কিছুক্ষণ পরে আবার আসলাম। দেখি তিনি সাজদা রত অবস্থায় ঐ কথাই বলছেন। এরপর আমি যুদ্ধে ফিরে গেলাম। কিছুক্ষণ পরে আবার ফিরে আসলাম। এসে দেখি তিনি সে কথাই বলছেন। এরপর আল্লাহ তাঁকে বিজয় দান করেন।” হাইসামী হাদীসটির সনদ হাসান বলেছেন।
“বদরের যুদ্ধের দিনে আমি কিছুক্ষণ যুদ্ধ করে রাসূলুল্লাহ (স) কি করছেন তা দেখার জন্য তাড়াহুড়ো করে ফিরে আসলাম। এসে দেখি তিনি সাজাদা রত অবস্থায় রয়েছেন এবং শুধু বলছেন: ‘ইয়া হাইউ ইয়া কাইঊম’ (হে চিরঞ্জীব, হে সর্বসংরক্ষক), এর বেশি কিছুই বলছেন না। এরপর আমি আবার যুদ্ধের মধ্যে ফিরে গেলাম। কিছুক্ষণ পরে আবার আসলাম। দেখি তিনি সাজদা রত অবস্থায় ঐ কথাই বলছেন। এরপর আমি যুদ্ধে ফিরে গেলাম। কিছুক্ষণ পরে আবার ফিরে আসলাম। এসে দেখি তিনি সে কথাই বলছেন। এরপর আল্লাহ তাঁকে বিজয় দান করেন।” হাইসামী হাদীসটির সনদ হাসান বলেছেন।
মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৪৪; মুসনাদুল বাযযার ২/২৫৪; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১০/১৪৭; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৪